1 / 225% OFF
Cash on delivery available
'৪৭-এর দেশভাগের পটভূমিতে যে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম, তার পূর্ব অংশ আজকের বাংলাদেশ তখনকার পূর্ব পাকিস্তান। ভাষা, সংস্কৃতির অমিল দিয়ে গঠিত দুই প্রান্তের দুটি দেশ কেবল ধর্মের ভিত্তিতে যে বাঁধা যায় না, তার প্রথম ও বড় প্রমাণ ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। আর এর ভিতর দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে আইয়ুব শাসনের মৌলিক গণতন্ত্র, '৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং '৭০-এর সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে যে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের রায় মেনে না নেয়ায় বাঙালিদের মধ্যে যুগপৎ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবি প্রবল হয়ে ওঠে। ফলশ্রুতিতে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। আবালবৃদ্ধবনিতা সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দীর্ঘ নয় মাস বাংলার মানুষ লড়াই করেছে নিজস্ব একটি পতাকার জন্যে, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্যে, আপন ঠিকানার জন্যে। অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় ৫৬ হাজার বর্গমাইলের নতুন একটি স্বাধীন দেশ ‘বাংলাদেশ'।
'৪৭-এর দেশভাগের পটভূমিতে যে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম, তার পূর্ব অংশ আজকের বাংলাদেশ তখনকার পূর্ব পাকিস্তান। ভাষা, সংস্কৃতির অমিল দিয়ে গঠিত দুই প্রান্তের দুটি দেশ কেবল ধর্মের ভিত্তিতে যে বাঁধা যায় না, তার প্রথম ও বড় প্রমাণ ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। আর এর ভিতর দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে আইয়ুব শাসনের মৌলিক গণতন্ত্র, '৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান এবং '৭০-এর সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে যে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের রায় মেনে না নেয়ায় বাঙালিদের মধ্যে যুগপৎ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবি প্রবল হয়ে ওঠে। ফলশ্রুতিতে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। আবালবৃদ্ধবনিতা সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দীর্ঘ নয় মাস বাংলার মানুষ লড়াই করেছে নিজস্ব একটি পতাকার জন্যে, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্যে, আপন ঠিকানার জন্যে। অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় ৫৬ হাজার বর্গমাইলের নতুন একটি স্বাধীন দেশ ‘বাংলাদেশ'।