1 / 214% OFF
Cash on delivery available
"এসো গল্পে গল্পে কুরআন চিনি" বইটির 'লেখক কথন' অংশ থেকে নেয়াঃ গত দু'বছর পূর্বে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাযিলের মাস রামাদ্বানে আমার হৃদয় আকাশে হঠাৎ উদয় হলাে যে, কুরআন নিয়ে শিশু-কিশােরদের জন্য কিছু করা দরকার। আমি আমার বাবাচাচাদের প্রজন্মের মানুষদের দেখেছি—তারা অনেকে কুরআন পড়তে না জানলেও কুরআনের ছােট ছােট কিছু সূরা তাঁদের খুব ভালাে মুখস্থ থাকতাে। সূরাতুল ফাতিহা তাে এমনিতেই সবার মুখস্থ থাকে, পাশাপাশি তারা কিছু না জানলেও অন্তত কুরআনের শেষ দশটি সূরা মুখস্থ জানতেন। শুনেছি আমাদের দাদা-দাদীরাই নাকি তাঁদেরকে এভাবে গড়ে তুলেছেন। এ প্রজন্মের মধ্যে যদিও দ্বীনি জ্ঞানার্জনে। কিছুটা ভাটার সৃষ্টি হয়েছে, তারপরও বহু দ্বীনি পরিবার আছেন যারা তাদের ছােট ছােট সন্তানদেরকে এই সূরাগুলাে শিক্ষা দিয়ে থাকেন, অনেকে তাে আরাে বেশি শেখান। তবে যারা শিখছে না তাদেরকেও আগ্রহী করে তােলা দরকার, পাশাপাশি যেসব বাচ্চারা শিখছে তারা অনেকেই এই সূরাগুলাের অর্থ ও মর্ম সম্পর্কে অবগত নয়, তাদেরকেও অর্থ ও মর্ম সম্পর্কে অবগত করা দরকার। আমরা কুরআনের আলিম হতে পারি আর না পারি নিদেনপক্ষে কুরআনের ছাত্র তাে সকলেরই হওয়া দরকার। ভাবছিলাম—এই প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য কী করা যায়? আমার কাছে মনে হলাে সূরাতুল ফাতিহা ও কুরআনের শেষ দশটি সূরা, মােট এই ১১টি সূরা নিয়ে আল্লাহ চাহেন তাে ওদের সঙ্গে কথা বলা যায়। কিন্তু কুরআনের একটা ভারত্ব রয়েছে, কচিমনের শিশুদের কাছে কিভাবে কুরআনকে সহজ করে তােলা যায়, সেটাই ছিল মূল চ্যালেঞ্জ৷ বাচ্চারা যেভাবে কোনাে কিছুকে বুঝতে চেষ্টা করে তার নিজস্ব একটি ঢং রয়েছে; তারা সবকিছুকে হেসে-খেলে শিখে নেয়। সহসা একদিন একটা বুদ্ধি খেলে গেলাে মাথায়। আর সেটা হলাে, কল্পনায় আমি বাচ্চাদের নিয়ে গল্পের দেশে যাবাে, সেই কল্পকথার গল্পের ফাঁকে ফাঁকে আমরা এই ১১টি সূরাও শিখে নিবাে ইন শা আল্লাহ।
"এসো গল্পে গল্পে কুরআন চিনি" বইটির 'লেখক কথন' অংশ থেকে নেয়াঃ গত দু'বছর পূর্বে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাযিলের মাস রামাদ্বানে আমার হৃদয় আকাশে হঠাৎ উদয় হলাে যে, কুরআন নিয়ে শিশু-কিশােরদের জন্য কিছু করা দরকার। আমি আমার বাবাচাচাদের প্রজন্মের মানুষদের দেখেছি—তারা অনেকে কুরআন পড়তে না জানলেও কুরআনের ছােট ছােট কিছু সূরা তাঁদের খুব ভালাে মুখস্থ থাকতাে। সূরাতুল ফাতিহা তাে এমনিতেই সবার মুখস্থ থাকে, পাশাপাশি তারা কিছু না জানলেও অন্তত কুরআনের শেষ দশটি সূরা মুখস্থ জানতেন। শুনেছি আমাদের দাদা-দাদীরাই নাকি তাঁদেরকে এভাবে গড়ে তুলেছেন। এ প্রজন্মের মধ্যে যদিও দ্বীনি জ্ঞানার্জনে। কিছুটা ভাটার সৃষ্টি হয়েছে, তারপরও বহু দ্বীনি পরিবার আছেন যারা তাদের ছােট ছােট সন্তানদেরকে এই সূরাগুলাে শিক্ষা দিয়ে থাকেন, অনেকে তাে আরাে বেশি শেখান। তবে যারা শিখছে না তাদেরকেও আগ্রহী করে তােলা দরকার, পাশাপাশি যেসব বাচ্চারা শিখছে তারা অনেকেই এই সূরাগুলাের অর্থ ও মর্ম সম্পর্কে অবগত নয়, তাদেরকেও অর্থ ও মর্ম সম্পর্কে অবগত করা দরকার। আমরা কুরআনের আলিম হতে পারি আর না পারি নিদেনপক্ষে কুরআনের ছাত্র তাে সকলেরই হওয়া দরকার। ভাবছিলাম—এই প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য কী করা যায়? আমার কাছে মনে হলাে সূরাতুল ফাতিহা ও কুরআনের শেষ দশটি সূরা, মােট এই ১১টি সূরা নিয়ে আল্লাহ চাহেন তাে ওদের সঙ্গে কথা বলা যায়। কিন্তু কুরআনের একটা ভারত্ব রয়েছে, কচিমনের শিশুদের কাছে কিভাবে কুরআনকে সহজ করে তােলা যায়, সেটাই ছিল মূল চ্যালেঞ্জ৷ বাচ্চারা যেভাবে কোনাে কিছুকে বুঝতে চেষ্টা করে তার নিজস্ব একটি ঢং রয়েছে; তারা সবকিছুকে হেসে-খেলে শিখে নেয়। সহসা একদিন একটা বুদ্ধি খেলে গেলাে মাথায়। আর সেটা হলাে, কল্পনায় আমি বাচ্চাদের নিয়ে গল্পের দেশে যাবাে, সেই কল্পকথার গল্পের ফাঁকে ফাঁকে আমরা এই ১১টি সূরাও শিখে নিবাে ইন শা আল্লাহ।